বাংলা ২৪ প্রেসঃঃ রোজার সময় পচা-বাসি খাবার বিক্রি ঠেকাতে র্যাবের সমন্বয়ে ব্যাপক
নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের খাদ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। খাদ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু রমজানে নয়, ৩৬৫ দিনেই আমরা রমজানের শিক্ষা নিয়ে খাদ্য সরবরাহ করতে চাই।’
‘আর এজন্য চলমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে।’
খাদ্য শস্যের মজুত নিয়ে আবারো সন্তুষ্টি প্রকাশ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে ১২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল।’
‘এরমধ্যে চালের পরিমাণ ১০ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন এবং গমের পরিমাণ ১ লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন। খাদ্য শস্যের এ মজুত নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। খাদ্য ঘাটতির কোনও আশঙ্কা নেই।’
বাজারদর সম্পর্কে খাদ্যমন্ত্রী জানান, পাইকারি বাজারে চালের কেজি ২৬-২৮ টাকা, খুচরা বাজারে ৩২-৩৪ টাকা, আটা খুচরা বাজারে ২৬-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা বাজার (ওএমএস) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৮০টি কেন্দ্রে, বিভাগীয় শহরগুলোতে ৮২টি, শ্রমঘন জেলা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরে ১৪১টি কেন্দ্রে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ বিষয়ক এক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের খাদ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। খাদ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু রমজানে নয়, ৩৬৫ দিনেই আমরা রমজানের শিক্ষা নিয়ে খাদ্য সরবরাহ করতে চাই।’
‘আর এজন্য চলমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে।’
খাদ্য শস্যের মজুত নিয়ে আবারো সন্তুষ্টি প্রকাশ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হিসেব অনুযায়ী সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে ১২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল।’
‘এরমধ্যে চালের পরিমাণ ১০ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন এবং গমের পরিমাণ ১ লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন। খাদ্য শস্যের এ মজুত নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। খাদ্য ঘাটতির কোনও আশঙ্কা নেই।’
বাজারদর সম্পর্কে খাদ্যমন্ত্রী জানান, পাইকারি বাজারে চালের কেজি ২৬-২৮ টাকা, খুচরা বাজারে ৩২-৩৪ টাকা, আটা খুচরা বাজারে ২৬-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা বাজার (ওএমএস) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৮০টি কেন্দ্রে, বিভাগীয় শহরগুলোতে ৮২টি, শ্রমঘন জেলা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরে ১৪১টি কেন্দ্রে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন