বাংলা ২৪ প্রেসঃঃ জৈনপুরী পীর এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীর ভাই নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পুলিশ তাকে
গ্রেফতার করে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনর্চাজ (ওসি) মীর শাহীন শাহ পারভেজ তাকে গ্রেফতার করে। নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীর বন্দুক-পিস্তলসহ জঙ্গি স্টাইলে ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুলিশ প্রসশানের উপর মহলের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এর আগে ২৮ এপ্রিল রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন শাহ পারভেজের নেতৃত্বে পাঠানটুলীতে ওই অভিযান চালানো হয়। তখন নেয়ামতউল্লাহ আব্বাসী বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। ওই সময় বাড়িতে তল্লাশি করে দুটি খেলনা পিস্তল ও বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবিতে নেয়ামতউল্লাহর হাতে ও পেছনে এ দুটি খেলনা পিস্তল ছিল। বাড়ির লোকজনও জানিয়েছে শখের বশে নেয়ামতউল্লাহ এসব ছবি তুলেছিলেন। আজ বুধবার দুপুরে জলো পুলিশ সুপারে কার্যালয়ে সংবাদ সম্মলেন এসপি হারুন অর রশদি বলেন, কিছুদিন আগে বিভিন্ন পত্রিকায় ও ফেসবুকে আসছিল তার নাম নয়োমত উল্লাহ আব্বাসী। সে জঙ্গি ড্রেস পড়ে রিভলবার ও এসএমজি সাথে নিয়ে ছবি পোস্ট দিয়েছিলেন। তার প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত শুরু করি। তারপর দেখলাম জঙ্গি কায়দায় গার্মেন্টেসে হামলা করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে আমরা তাকে গ্রেফেতার করেছি। তার কাছ থেকে দুইনলা বন্দুক ও খোসাসহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনর্চাজ (ওসি) মীর শাহীন শাহ পারভেজ তাকে গ্রেফতার করে। নেয়ামত উল্লাহ আব্বাসীর বন্দুক-পিস্তলসহ জঙ্গি স্টাইলে ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুলিশ প্রসশানের উপর মহলের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এর আগে ২৮ এপ্রিল রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন শাহ পারভেজের নেতৃত্বে পাঠানটুলীতে ওই অভিযান চালানো হয়। তখন নেয়ামতউল্লাহ আব্বাসী বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। ওই সময় বাড়িতে তল্লাশি করে দুটি খেলনা পিস্তল ও বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবিতে নেয়ামতউল্লাহর হাতে ও পেছনে এ দুটি খেলনা পিস্তল ছিল। বাড়ির লোকজনও জানিয়েছে শখের বশে নেয়ামতউল্লাহ এসব ছবি তুলেছিলেন। আজ বুধবার দুপুরে জলো পুলিশ সুপারে কার্যালয়ে সংবাদ সম্মলেন এসপি হারুন অর রশদি বলেন, কিছুদিন আগে বিভিন্ন পত্রিকায় ও ফেসবুকে আসছিল তার নাম নয়োমত উল্লাহ আব্বাসী। সে জঙ্গি ড্রেস পড়ে রিভলবার ও এসএমজি সাথে নিয়ে ছবি পোস্ট দিয়েছিলেন। তার প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত শুরু করি। তারপর দেখলাম জঙ্গি কায়দায় গার্মেন্টেসে হামলা করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে আমরা তাকে গ্রেফেতার করেছি। তার কাছ থেকে দুইনলা বন্দুক ও খোসাসহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন