আন্তর্জাতিক ডেস্কঃঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নরেন্দ্র মোদী যখন শপথ
নিচ্ছিলেন তখন তার দল ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির ওয়েবসাইট ‘গরুময়’ করে দেয়
একটি হ্যাকার গ্রুপ। সাইট হ্যাক করে পেজে গরুর মাংস রান্নার ছয়টি রেসিপি
পোস্ট করে দেয়া হয়। পাশাপাশি পোস্ট করা হয় ‘বিফ ফ্লাই’ ও ‘বিফ কিমার’ ছবি।
আর ছবির নিচে লেখা ছিল ‘হ্যাকড বাই ‘শ্যাডো ভি১পি৩আর’। এছাড়া ‘বিজেপি
লিডারশিপ’ পাতার জায়গায় দেখা গেছে ‘বিফ লিডারশিপ’।
গুজরাট থেকে উঠে আসা মোদীর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গরু নিয়ে বিভিন্ন গুজব তুলে ভারতে মুসলমানদের উপর নানা নিপীড়ন-নির্যাতন শুরু হয়। এমনকি গরুর মাংস সংরক্ষণ এবং গরু পরিবহনের অভিযোগে গণপিটুনিতে প্রাণও হারান দেশটির বেশ কয়েকজন নাগরিক। সম্প্রতি গরু মাংস খাওয়ার অধিকার চেয়ে জেলে গেছেন ঝাড়খন্ডের একজন আদিবাসী বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, হ্যাক হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিজেপির ওয়েবসাইটে আর প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। নির্বাচনের আগেও বিজেপির ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল এবং অনেকদিন ওয়েবসাইটটি ডাউন ছিল। তবে দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়।
২০১৭ সালের মে মাসে জবাই করার জন্য গরু নিয়ে উত্তেজিত জনতা আসামে দুই মুসলিম ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে বলে, ২০১৫ সালের মে মাস থেকে ২০১৭ সালের মে মাস পর্যন্ত ভারতে অন্তত ১০ জন মুসলমানকে গোরক্ষার নামে উত্তেজিত জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধ মুসলিমদেরই নয় দেশটির দলিত সম্প্রদায়ের উপরও হামলার ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক ও ভারতের মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, গোরক্ষার নামে এসব হত্যাকাণ্ড এবং নিপীড়ন বন্ধে মোদী সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। যার ফলে পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয় না।
গুজরাট থেকে উঠে আসা মোদীর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গরু নিয়ে বিভিন্ন গুজব তুলে ভারতে মুসলমানদের উপর নানা নিপীড়ন-নির্যাতন শুরু হয়। এমনকি গরুর মাংস সংরক্ষণ এবং গরু পরিবহনের অভিযোগে গণপিটুনিতে প্রাণও হারান দেশটির বেশ কয়েকজন নাগরিক। সম্প্রতি গরু মাংস খাওয়ার অধিকার চেয়ে জেলে গেছেন ঝাড়খন্ডের একজন আদিবাসী বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, হ্যাক হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিজেপির ওয়েবসাইটে আর প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। নির্বাচনের আগেও বিজেপির ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল এবং অনেকদিন ওয়েবসাইটটি ডাউন ছিল। তবে দ্রুতই তা নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়।
২০১৭ সালের মে মাসে জবাই করার জন্য গরু নিয়ে উত্তেজিত জনতা আসামে দুই মুসলিম ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে বলে, ২০১৫ সালের মে মাস থেকে ২০১৭ সালের মে মাস পর্যন্ত ভারতে অন্তত ১০ জন মুসলমানকে গোরক্ষার নামে উত্তেজিত জনতা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধ মুসলিমদেরই নয় দেশটির দলিত সম্প্রদায়ের উপরও হামলার ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক ও ভারতের মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, গোরক্ষার নামে এসব হত্যাকাণ্ড এবং নিপীড়ন বন্ধে মোদী সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। যার ফলে পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয় না।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন