নিজস্ব প্রতিবেদকঃঃ চলছে রমজান মাস। আর এ মাসকে কাজে লাগিয়ে ছোটখাটো মোদী দোকান থেকে শুরু
করে শাক, সবজি, ফলমূল, মোরগের দোকান, মাছ- মাংসের দোকান থেকে শুরু করে
নামীদামী ব্র্যান্ডের সুপার শপগুলোতে ভেজালে সয়লাব। থাকে লাগামহীন দাম।
মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যতো আছেই, সেই সাথে থাকে নিম্নমানের পণ্য বিক্রির প্রচলন।
বাজারে ভেজাল, পণ্যের মানসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ক্রেতাদের সুবিধার জন্য রমজান উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোট ৫ টি টিম প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে জরিমানা আদায়সহ ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে কাজ করছেন। তবে এ ক্ষেত্রে অসহায় সিলেট জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে প্রধান দায়িত্ব ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের হলেও জনবল সংকটের কারণে তাদেরকে সহযোগী হিসেবে কাজ করতে হচ্ছে।
ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট সূত্রে জানা যায়, একজন সহকারী পরিচালক ও একজন অফিস সহকারী দিয়েই চলে পুরো জেলা নিয়ন্ত্রণের কাজ। মোট ১৩ টি উপজেলার বাজারগুলো তদারকি করতে হয় একজন কর্মকর্তাকেই। ফলে ভোক্তাদের অধিকার তো দূরের কথা নিজেদের অধিকার সংরক্ষণেই অনেকটা অসহায় এ অধিদপ্তর।
রমজান উপলক্ষে কেবল নগরীর ভিতরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ টি টিম গঠন করে কাজ করা হলেও কোনোভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের অনিয়মের লাগাম টানতে পারছেন না জেলা প্রশাসন অথচ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নগরীর ভিতরে একটি টিম ও পুরো জেলার ১৩ টি উপজেলায় মিলে ১টি টিম দিয়ে বাজার মনিটরিং করে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বপ্ন দেখছেন। যেখানে জনবল সংকটের কারণে সে স্বপ্ন আর বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেটের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘বাজার মনিটরিংয়ে আমরা অনেকটা অসহায়। পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় মাত্র দুইটি টিম দিয়ে পুরো জেলা নিয়ন্ত্রণ করা কোনোভাবেই সম্ভব না। একটি জেলায় কমপক্ষে ১০ টি টিম কাজ করা উচিৎ থাকলেও সেখানে কাজ করছে মাত্র দুইটি টিম।
তিনি বলেন- ‘একটি জেলার জন্য কমপক্ষে একজন উপ-পরিচালক ও ৩ জন সহকারী পরিচালক, একজন পিয়ন, একজন অফিস সহকারী ও নিরাপত্তারক্ষীসহ কম পক্ষে ৭ জন মানুষের প্রয়োজন হলেও এখন আমি ও আমার অফিস সহকারী মিলে মাত্র ২ জন।’
জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সাধারণ দিনগুলোতে সপ্তাহে ২ দিন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকলেও রমজান উপলক্ষে সপ্তাহে ৫ দিন বাজার মনিটরিং করা হবে। ২ টি টিমে ভাগ হয়ে একটি টিম নগরীর ভিতরে এবং বিভিন্ন উপজেলা পর্যায় একটি টিম কাজ করবে।
সংকট এখানেই শেষ না। তাদের নেই যাতায়াতের জন্য কোন যানবাহন, খাদ্যের বা পণ্যের মান পরীক্ষার জন্য নেই কোন ল্যাব, সরঞ্জামাদি। কেবল দৃশ্যমান ভালো-মন্দের হিসেবেই দায়িত্ব পালন করতে হয় সংশ্লিষ্টদের। ফলে নিম্নমানের বিভিন্ন পণ্য, খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্যসামগ্রী বাজারে বিক্রি হলেও অনেকটা অসহায় সিলেট জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এসব নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন করেও এখনো কোন কাজ হয়নি। তবে দেশ এখন সকল ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। সে ধারাবাহিকতায় এ জেলার মানুষেরে কথা বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সদয় হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন জাহাঙ্গীর আলম।
বাজারে ভেজাল, পণ্যের মানসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ক্রেতাদের সুবিধার জন্য রমজান উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোট ৫ টি টিম প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে জরিমানা আদায়সহ ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে কাজ করছেন। তবে এ ক্ষেত্রে অসহায় সিলেট জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে প্রধান দায়িত্ব ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের হলেও জনবল সংকটের কারণে তাদেরকে সহযোগী হিসেবে কাজ করতে হচ্ছে।
ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট সূত্রে জানা যায়, একজন সহকারী পরিচালক ও একজন অফিস সহকারী দিয়েই চলে পুরো জেলা নিয়ন্ত্রণের কাজ। মোট ১৩ টি উপজেলার বাজারগুলো তদারকি করতে হয় একজন কর্মকর্তাকেই। ফলে ভোক্তাদের অধিকার তো দূরের কথা নিজেদের অধিকার সংরক্ষণেই অনেকটা অসহায় এ অধিদপ্তর।
রমজান উপলক্ষে কেবল নগরীর ভিতরেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ টি টিম গঠন করে কাজ করা হলেও কোনোভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের অনিয়মের লাগাম টানতে পারছেন না জেলা প্রশাসন অথচ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নগরীর ভিতরে একটি টিম ও পুরো জেলার ১৩ টি উপজেলায় মিলে ১টি টিম দিয়ে বাজার মনিটরিং করে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বপ্ন দেখছেন। যেখানে জনবল সংকটের কারণে সে স্বপ্ন আর বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেটের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘বাজার মনিটরিংয়ে আমরা অনেকটা অসহায়। পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় মাত্র দুইটি টিম দিয়ে পুরো জেলা নিয়ন্ত্রণ করা কোনোভাবেই সম্ভব না। একটি জেলায় কমপক্ষে ১০ টি টিম কাজ করা উচিৎ থাকলেও সেখানে কাজ করছে মাত্র দুইটি টিম।
তিনি বলেন- ‘একটি জেলার জন্য কমপক্ষে একজন উপ-পরিচালক ও ৩ জন সহকারী পরিচালক, একজন পিয়ন, একজন অফিস সহকারী ও নিরাপত্তারক্ষীসহ কম পক্ষে ৭ জন মানুষের প্রয়োজন হলেও এখন আমি ও আমার অফিস সহকারী মিলে মাত্র ২ জন।’
জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সাধারণ দিনগুলোতে সপ্তাহে ২ দিন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকলেও রমজান উপলক্ষে সপ্তাহে ৫ দিন বাজার মনিটরিং করা হবে। ২ টি টিমে ভাগ হয়ে একটি টিম নগরীর ভিতরে এবং বিভিন্ন উপজেলা পর্যায় একটি টিম কাজ করবে।
সংকট এখানেই শেষ না। তাদের নেই যাতায়াতের জন্য কোন যানবাহন, খাদ্যের বা পণ্যের মান পরীক্ষার জন্য নেই কোন ল্যাব, সরঞ্জামাদি। কেবল দৃশ্যমান ভালো-মন্দের হিসেবেই দায়িত্ব পালন করতে হয় সংশ্লিষ্টদের। ফলে নিম্নমানের বিভিন্ন পণ্য, খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্যসামগ্রী বাজারে বিক্রি হলেও অনেকটা অসহায় সিলেট জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এসব নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার আবেদন করেও এখনো কোন কাজ হয়নি। তবে দেশ এখন সকল ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। সে ধারাবাহিকতায় এ জেলার মানুষেরে কথা বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সদয় হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন জাহাঙ্গীর আলম।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন