হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচঙ্গে প্রথম শ্রেণীর এক জনৈক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে তাকে আশংকা জনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। জনৈক ওই ছাত্রী উপজেলার কাকুরা গ্রামের আহাম্মদ আলীর কন্যা এবং রাজাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
ওই স্কুল ছাত্রীর মা কাজল বিবি জানান, তার স্কুল পড়ুয়া শিশুটি ওই সময় ঘর থেকে বের হয়ে উঠানে গেলে পার্শ্ববর্তী আরজত আলীর লম্পট পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (১৭) তাকে ঝাপটে ধরে। পরে তাকে কোলে করে তুলে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী একটি ঝোপঝাড়ে। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে তার শোর-চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরশেদ আলী জানান, শিশুটির অবস্থা আশংকা জনক। তার প্রচুর রক্তকরণ হচ্ছে। তাই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
বানিয়াচং থানার (ওসি) রাশেদ মোবারক জানান, ঘটনাটি শুনেছি। লম্পট জাহাঙ্গীরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও শিশুটির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। এদিকে, এ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে লম্পট জাহাঙ্গীর আলম।
রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে তাকে আশংকা জনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। জনৈক ওই ছাত্রী উপজেলার কাকুরা গ্রামের আহাম্মদ আলীর কন্যা এবং রাজাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
ওই স্কুল ছাত্রীর মা কাজল বিবি জানান, তার স্কুল পড়ুয়া শিশুটি ওই সময় ঘর থেকে বের হয়ে উঠানে গেলে পার্শ্ববর্তী আরজত আলীর লম্পট পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (১৭) তাকে ঝাপটে ধরে। পরে তাকে কোলে করে তুলে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী একটি ঝোপঝাড়ে। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে তার শোর-চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. আরশেদ আলী জানান, শিশুটির অবস্থা আশংকা জনক। তার প্রচুর রক্তকরণ হচ্ছে। তাই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
বানিয়াচং থানার (ওসি) রাশেদ মোবারক জানান, ঘটনাটি শুনেছি। লম্পট জাহাঙ্গীরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও শিশুটির বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। এদিকে, এ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে লম্পট জাহাঙ্গীর আলম।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন